Search This https://go.fiverr.com/visit/?bta=214852&brand=fpBlog

Saturday, May 16, 2020

KFC founder success story



KFC founder success story




Colonel Harland Debit Sanders lost his father when he was only five years old. He dropped out of school at the age of 18. At the age of 18, he lost his job four times in total. At the age of 18, he got married. He became a father at the age of 19, and at the age of 20 his wife left him and took away their daughter.He then joined the army. He went to kidnap his daughter but failed there as well. He then took a job as a railway contractor, but could not avail there either. Eventually she took a job as a lady in a cafe. He retired at the age of 85.

KFC founder success story


On the first day of his retirement, he received a check for 105 from the government. Life seemed worthless to him. Then he sat down under a tree and began to make a list of what he had achieved in life. Suddenly it seems to him that there is a lot left to do in life, he knows more about one thing than everyone else.That is the culinary art. He bought some chickens against that check and borrowed another 87 dollar ​​and fried them with his own recipe. He gave birth to Kentucky Fried Chicken (KFC).He attempted suicide at the age of 65 but became a billionaire at the age of eight.


He is remembered as the founder of KFC. So there is nothing to despair about. You still have time to succeed. Success can come at some point in life. But all it takes is strong will, confidence, creativity, and the ability to do things right. Remember Failure is the Pillar of Success.


KFC founder success story



History of Kaptai Dam and Power Station


History of Kaptai Dam and Power Station


Most of the inhabitants of the Chittagong Hill Tracts area in the deep forest belonged to various small ethnic groups. The Kaptai Hydroelectric Project was first planned in 1908, the second time in 1923 the data was collected again, then in 1948 the existing dam was 65 km. The initial decision to build the dam upstream Barkale was taken.Later, in 1950, the location of the dam was determined at Chiller-Dhak. Finally, in 1951, the final decision was taken to build a dam or power project at Chitmarang in Kaptai area.

Prior to independence, the government of Pakistan started the construction of the Kaptai Dam in 1958 with the help of the International Engineering Company and Utah International Inc., funded by the United States. Its construction was completed in 1982.The length of the dam is 60.8 m and the height is 54.7 m. A 645 feet long waterway or spillway with 16 water gates has been placed next to the dam. This spillway can discharge 16,000 cubic meters / second of water.The budget for the project was set at around Tk 25.40 crore, but later it exceeded Tk 48 crore.

CreatesKaptai Lake
Total capacity6,477,000,000 m3 (5,251,000 acre⋅ft)
Catchment area11,000 km2 (4,200 sq mi)
Surface area777 km2 (300 sq mi)
Normal elevation33 m (108 ft)

Affiliate area:

Lake Kaptai submerged 54,000 acres of agricultural land, which is 40 percent of the total agricultural land in the area. In addition, 29 square miles of government-protected forest and 234 square miles of unclassified forest were submerged. A total of one lakh people from about 16,000 families were displaced.

Power generation:

Units 1 and 2 with a capacity of 40 MW were first set up but later work on Unit 3 with a capacity of 50 MW was started in 1989. Later 2 more units were constructed. At present there are 5 units in operation with a total power generation capacity of 230 MW.


History of Kaptai Dam and Power Station







In Bangla Translation:



কাপ্তাই বাঁধ ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইতিহাস

গভীর অরণ্যে ঢাকা পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার বেশিরভাগ বাসিন্দা ছিলেন বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিকল্পনা প্রথম করা হয় ১৯০৬ সালে, দ্বিতীয়বার ১৯২৩ সালে পুনরায় তথ্য সংগ্রহ করা হয় , এরপর ১৯৪৬ সালে বর্তমান বাঁধের ৬৫ কি.মি. উজানে বরকলে বাঁধটি  নির্মাণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। আরও পরে ১৯৫০ সালে চিলের-ধাক  নামক জায়গায় বাঁধের  স্থান নির্ধারিত হয়। শেষ পর্যন্ত ১৯৫১ সালে কাপ্তাই এলাকার চিৎমরং -এ বাঁধ তথা  বিদ্যুৎ প্রকল্পটি  নির্মাণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 স্বাধীনতার পূর্বে পাকিস্তান সরকার ১৯৫৬ সালে আমেরিকার অর্থায়নে ইন্টারন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি এবং ইউতাহ ইন্টারন্যাশনাল ইনকর্পোরেট, কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণ শুরু করে। ১৯৬২ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। বাঁধের দৈর্ঘ্য ৬৭০.৬ মিটার ও উচ্চতা ৫৪.৭ মিটার।এ বাঁধের পাশে ১৬টি জলকপাট সংযুক্ত ৭৪৫ ফুট দীর্ঘ একটি পানি নির্গমন পথ বা স্পিলওয়ে রাখা হয়েছে ।এ স্পিলওয়ে ১৬ হাজার কিউবিক মিটার/সেকেন্ড পানি নির্গমন করতে পারে ।এ প্রকল্পের জন্য তখন প্রায় ২৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা বাজেট নির্ধারণ করা হলেও পরে তা ৪৮ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়।

অধিভুক্ত এলাকা:

কাপ্তাই হ্রদের  কারণে ৫৪ হাজার একর কৃষিজমি ডুবে যায় যা ওই এলাকার মোট কৃষি জমির ৪০ শতাংশ। এছাড়া সরকারি সংরক্ষিত বনের ২৯ বর্গমাইল এলাকা ও অশ্রেণীভুক্ত  ২৩৪ বর্গমাইল বনাঞ্চলও ডুবে যায়। প্রায় ১৮ হাজার পরিবারের মোট এক  লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।

বিদ্যুৎ উৎপাদন:

প্রথমে ৪০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ১ ও ২ নম্বর ইউনিট স্থাপন করা হলেও পরে ১৯৬৯ সালে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৩ নম্বর ইউনিটের কাজ শুরু করা হয় ।পরবর্তীতে আরও ২টি ইউনিট নির্মাণ করা হয় ।বর্তমানে মোট ৫টি ইউনিট চালু আছে যার মোট বিদ্যৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট ।